
[অনলাইন প্রতিবেদক]
স্বাধীনতার চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে মাত্র ১৭ বছর বয়সে শহীদ হওয়া সাহসী তরুণ আনাস-এর স্মৃতিকে সম্মান জানাতে ৭ জুলাই ২০২৫ তারিখ সোমবার রাজধানীর গেন্ডারিয়ার ধোপখোলা মাঠ সংলগ্ন একটি সড়কের নামকরণ করা হলো ‘শহীদ আনাস সড়ক’।
উল্লেখ্য, আনাস মুক্তির সংগ্রামে ঝাঁপিয়ে পড়ার আগে বাবা-মাকে উদ্দেশ করে এক আবেগঘন চিঠিতে লেখেন,“মৃত্যুর ভয় করে স্বার্থপরের মতো ঘরে বসে না থেকে সংগ্রামে নেমে গুলি খেয়ে বীরের মতো মৃত্যুও অধিক শ্রেষ্ঠ। যে অন্যের জন্য নিজের জীবনকে বিলিয়ে দেয়, সেই প্রকৃত মানুষ। আমি যদি বেঁচে না ফিরি, তবে কষ্ট না পেয়ে গর্বিত হইয়ো।”
এই চিন্তা, চেতনা ও আত্মত্যাগের প্রতীক শহীদ আনাস ৫ আগস্ট, ঢাকার চাঁনখারপুলে গুলিবিদ্ধ হয়ে শহীদ হন।
আজ আনুষ্ঠানিকভাবে ‘শহীদ আনাস সড়ক’-এর নামফলক উন্মোচন ও ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন মাননীয় স্থানীয় সরকার উপদেষ্টা জনাব আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া।
অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, “এভাবে যেনো জনগণের ট্যাক্সের টাকায় বেতন হওয়া কোন বাহিনীর হাতে আর কাউকে জীবন দিতে না হয়, সঠিক বিচার সহ কাঠামোগত সংস্কার আমরা করে যাবো।”
সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়, দেশের প্রতিটি শহীদ- বিশেষ করে সেই তরুণেরা, যাঁরা ভবিষ্যতের সম্ভাবনা বিসর্জন দিয়ে দেশের জন্য জীবন দিয়েছেন- তাঁদের আত্মত্যাগকে স্মরণীয় করতে এবং তাঁদের আদর্শে মানবিক ও ন্যায়ভিত্তিক বাংলাদেশ গড়তে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ সরকার। স্থানীয় বাসিন্দা ও তরুণ সমাজের প্রতিনিধিরা এই নামকরণকে “বিচারের পথে এক নৈতিক পদক্ষেপ” বলে স্বাগত জানান। শহীদ আনাস এখন কেবল একটি নাম নয়- তিনি দেশের তরুণদের জন্য অনুপ্রেরণার প্রতীক।







