
[নিজস্ব প্রতিবেদক]
আগামী ১৩ মে – ২৩ মে ২০২৬ তারিখে মিশর (Egypt)-এ আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করতে যাচ্ছেন অভিলা ইসলাম (ডিজে অভিলা)। বিশ্বের অন্যতম মর্যাদাপূর্ণ পরিবেশভিত্তিক সুন্দরী প্রতিযোগিতা আন্তর্জাতিক মিস ইকো (Miss Eco International)–এ তিনি অংশ নিচ্ছেন। এই অনুষ্ঠানটি সর্বমোট ১২ দিন ব্যাপী মিশর (Egypt)-এ আলেকজান্দ্রিয়া (Alexandria)-র হেলান আন্তোনিয়াদেস (Helnan Antoniades Palace) হোটেলে অনুষ্ঠিত হবে।
আন্তর্জাতিক মঞ্চে ডিজে অভিলার অভিষেক
গত ৯ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে আন্তর্জাতিক মিস ইকো বাংলাদেশ (Miss Eco Bangladesh) -এর মুকুট জয়ের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক আসরে অংশগ্রহণের সুযোগ পান অভিলা ইসলাম (ডিজে অভিলা)। এটি ছিল তার প্রথম সুন্দরী প্রতিযোগিতা, আর প্রথমবারেই তিনি অর্জন করেন আন্তর্জাতিক মঞ্চে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্বের গৌরব। আগামী ১২ মে ২০২৬ তারিখে তিনি আন্তর্জাতিক বাংলাদেশ বিমান বন্দর থেকে আন্তর্জাতিক মিস ইকো প্রতিযোগিতার উদ্দেশ্যে মিশর (Egypt)-এ রওয়ানা দেবেন।
Timetrend Magazine 4th Edition International Digital Cover Star- Avila Islam
২০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে আন্তর্জাতিক ম্যাগাজিন টাইমট্রেন্ড (Timetrend Magazine) -এর ডিজিটাল প্রচ্ছদে জায়গা করে নিয়ে ব্যাপক আলোচনায় আসেন তিনি। ম্যাগাজিনটি তাকে আখ্যা দেয় “বাংলাদেশের নম্বর ১ ডিজে ও সুন্দর্যের রানী” হিসেবে। এ স্বীকৃতি দেশ-বিদেশে সৃষ্টি করে ব্যাপক আলোড়ন এবং বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ও জাতীয় সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত হয় তার সাফল্যের খবর।
এ বিষয়ে আভিলা বলেন, “টাইমট্রেন্ড ডিজিটাল কভারে স্থান পেয়ে আমি সত্যিই সম্মানিত ও গর্বিত। এমন একটি প্ল্যাটফর্মে আমার যাত্রা, পরিশ্রম এবং স্বপ্নকে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে- এটি আমার জন্য অত্যন্ত অর্থবহ। এই ফিচারটি শুধু আমাকে নিয়ে নয়- এটি নিবেদন, আত্মোন্নয়ন এবং নিজের স্বপ্নে বিশ্বাস রাখার শক্তির প্রতীক। সবার ভালোবাসা ও সমর্থনের জন্য কৃতজ্ঞ। এটি কেবল শুরু।”

পরিবেশ রক্ষায় দৃঢ় অঙ্গীকার ও টেকসই উদ্যোগ
আন্তর্জাতিক মিস ইকো বাংলাদেশ –এর দায়িত্ব পাওয়ার পর থেকেই পরিবেশ সংরক্ষণ, রিসাইক্লিং উদ্যোগ এবং টেকসই উন্নয়ন বার্তা নিয়ে সক্রিয়ভাবে কাজ করছেন ডিজে অভিলা। তিনি দেশের স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন বিডি ক্লিন (BD Clean) –এর সদস্য হিসেবে মাঠপর্যায়ে পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমে অংশ নিচ্ছেন। তবে তার উদ্যোগ কেবল পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা অভিযান–এ সীমাবদ্ধ নয়।
তিনি বিভিন্ন কর্পোরেট প্রতিষ্ঠান ও উৎপাদনকারী কোম্পানির সঙ্গে সমন্বয় করে সংগৃহীত বর্জ্য রিসাইক্লিংয়ের মাধ্যমে পুনর্ব্যবহারযোগ্য পণ্য তৈরির পরিকল্পনা করছেন। তার মতে, শুধু বর্জ্য অপসারণ করলেই দায়িত্ব শেষ হয় না- প্রয়োজন মানসিকতার পরিবর্তন এবং পরিবেশ সচেতনতা বৃদ্ধি।
জনসমাগমস্থল, নদীপাড়, ও নৌকায় পরিবেশবিষয়ক চিত্রাঙ্কন ও বার্তা প্রচারণা চালুর পরিকল্পনাও রয়েছে তার। তিনি বিশ্বাস করেন, শিল্প ও রঙের মাধ্যমে প্রকৃতির প্রতি ভালোবাসা জাগ্রত করা সম্ভব, যা মানুষকে স্বতঃস্ফূর্তভাবে পরিবেশবান্ধব আচরণে উদ্বুদ্ধ করবে।

মিস ইকো ইন্টারন্যাশনাল কী এবং কেন গুরুত্বপূর্ণ?
আন্তর্জাতিক মিস ইকো (Miss Eco International) একটি আন্তর্জাতিক সৌন্দর্য ও পরিবেশভিত্তিক প্রতিযোগিতা, যেখানে শুধু বাহ্যিক সৌন্দর্য নয়- একজন নারীর সামাজিক দায়বদ্ধতা, নেতৃত্বগুণ, পরিবেশ রক্ষায় ভূমিকা এবং গ্লোবাল অ্যাওয়ারনেস তৈরির সক্ষমতা মূল্যায়ন করা হয়।
এই প্রতিযোগিতার মূল লক্ষ্যসমূহ হলো-
-
বিশ্বব্যাপী পরিবেশ সংরক্ষণে সচেতনতা সৃষ্টি।
-
টেকসই উন্নয়ন ও সবুজ পৃথিবীর বার্তা ছড়িয়ে দেওয়া।
-
ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে পরিবেশবান্ধব জীবনযাপনে উদ্বুদ্ধ করা।
-
নারীদের নেতৃত্বে ইতিবাচক সামাজিক পরিবর্তন আনা।
সব মিলিয়ে বলা যায়, মিস ইকো শুধু একটি মুকুট নয়- এটি একটি দায়িত্ব, একটি আন্দোলন এবং একটি বৈশ্বিক অঙ্গীকার।
আন্তর্জাতিক মঞ্চে ডিজে অভিলা-র অংশগ্রহণ নিঃসন্দেহে বাংলাদেশের জন্য গর্বের বিষয়। এখন সবার প্রত্যাশা- তিনি যেন বিশ্বমঞ্চে উজ্জ্বলভাবে তুলে ধরতে পারেন বাংলাদেশের সৌন্দর্য, সংস্কৃতি ও পরিবেশ সচেতনতার বার্তা।

আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করতে যাওয়া ও তার প্রতিযোগিতা প্রস্তুতি নিয়ে সম্প্রতি বিস্তারিত জানিয়েছেন। আন্তর্জাতিক মিস ইকো বাংলাদেশ (Miss Eco Bangladesh) –এর মুকুটজয়ী এই তারকা জানান, তার সাফল্যের পেছনে রয়েছে কঠোর পরিশ্রম, ধৈর্য, আত্মবিশ্বাস এবং ধারাবাহিকতার ফল।
তিনি বলেন, “মিস ইকো বাংলাদেশ হওয়ার যাত্রাটা কোনো একদিনের ঘটনা নয়- এটি ছিল কয়েক মাসের কঠোর পরিশ্রম, ধৈর্য, আত্মবিশ্বাস এবং ধারাবাহিকতার ফল।”
অভিলার ভাষ্য অনুযায়ী, অক্টোবর থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত চলেছে তার দীর্ঘ ও গভীর মূল্যায়ন প্রক্রিয়া। এটি শুধু একটি সাধারণ ইন্টারভিউ ছিল না; বরং তার ব্যক্তিত্ব, বুদ্ধিমত্তা, উপস্থাপন ক্ষমতা এবং পরিবেশ বিষয়ক সচেতনতা অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে পর্যবেক্ষণ করা হয়েছে।
তিনি আরও জানান, তার ওয়াক, লুক টেস্ট, স্টেজ প্রেজেন্স, সোশ্যাল কন্ট্রিবিউশন, সিভি সাবমিশন– প্রতিটি ধাপেই তাকে প্রমাণ করতে হয়েছে তিনি কতটা প্রস্তুত এবং দায়িত্বশীল।
শুধুমাত্র বাহ্যিক সৌন্দর্য নয়, বরং তার ওয়ার্ক এথিক্স, কমিটমেন্ট, কনসিস্টেন্সি, ওয়ার্ক এক্সপেরিয়েন্স এবং দেশের জন্য বাস্তব অবদান গভীরভাবে যাচাই করা হয়েছে।
আগামী আন্তর্জাতিক আসর Miss Eco International –এ অংশগ্রহণের আগে এই দীর্ঘ প্রস্তুতি, ব্যাপক মূল্যায়ন, এবং নেতৃত্বগুণের প্রমাণ তাকে আরও আত্মবিশ্বাসী করে তুলেছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।
সব মিলিয়ে বলা যায়, মিস ইকো বাংলাদেশ প্রস্তুতি, সৌন্দর্য প্রতিযোগিতার মূল্যায়ন প্রক্রিয়া, এবং আন্তর্জাতিক মঞ্চে প্রতিনিধিত্বের প্রস্তুতি– সবকিছুতেই অভিলা ইসলাম নিজেকে প্রমাণ করেছেন এক যোগ্য ও দায়িত্বশীল প্রতিযোগী হিসেবে।

বাংলাদেশের ১ নম্বর ডিজে আভিলা, নারী ডিজেদের অনুপ্রেরণার শীর্ষে
আজকালের প্রতিবেদন –এর সাথে সাত্ক্ষাৎকারে অভিলা ইসলাম যে জবাব দেন,
অন্যান্য সৌন্দর্য প্রতিযোগিতা থাকতে শুধু মিস ইকোই কেন বেছে নিলেন?
আমি সারা দেশে ভ্রমণ করতে গিয়ে আমাদের নদী ও জলাধারের দূষণ খুব কাছ থেকে দেখেছি, যা আমাকে গভীরভাবে নাড়া দিয়েছে। তাই শুধু গ্ল্যামারভিত্তিক প্রতিযোগিতা নয়, বরং পরিবেশ রক্ষা, টেকসই উন্নয়ন ও আন্তর্জাতিক পরিবেশ সচেতনতা নিয়ে কাজ করে এমন প্ল্যাটফর্ম Miss Eco International –কেই আমি বেছে নিয়েছি। আমার কাছে এটি শুধু একটি ক্রাউন নয়- এটি বাংলাদেশের নদী, বন ও প্রকৃতির পক্ষে কথা বলার একটি শক্তিশালী আন্তর্জাতিক মঞ্চ।
DJ Avila Recognized as Bangladesh’s No. 1 DJ: A New Era in the Music Scene
আপনি বাংলাদেশের ১ নম্বর ডিজে, তবুও সৌন্দর্য প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণের কারণ কী?
ডিজে হিসেবে আমার পরিচিতি ছিল, কিন্তু প্রভাব আর দায়িত্ব এক বিষয় নয়। সারা দেশে ভ্রমণ করতে গিয়ে আমি জলাধার দূষণ, পরিবেশগত চ্যালেঞ্জ ও বাস্তব সমস্যাগুলো কাছ থেকে দেখেছি। তাই শুধু পারফর্ম করা নয়- আমার দরকার ছিল একটি গ্লোবাল প্ল্যাটফর্ম। এই কারণেই আমি Miss Eco International বেছে নিয়েছি- যেখানে পরিবেশ রক্ষা, গ্লোবাল অ্যাডভোকেসি, এবং বাস্তব ইমপ্যাক্ট তৈরির সুযোগ আছে। আমি ক্রাউনের জন্য নয়, বরং ইমপ্যাক্ট তৈরির জন্য এসেছি।
ডিজেইং-এর পাশাপাশি সৌন্দর্য প্রতিযোগিতার মাধ্যমে কি আপনি মডেলিং শিল্পে নতুন যাত্রা শুরু করছেন?
না, আমার লক্ষ্য মডেলিং ক্যারিয়ার শুরু করা নয়। আমি এমন ব্র্যান্ড বা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে কাজ করতে চাই, যারা টেকসই পণ্য, পরিবেশবান্ধব উদ্যোগ এবং সাস্টেইনেবল লাইফস্টাইল নিয়ে কাজ করে। আমার অগ্রাধিকার সবসময়ই থাকবে পরিবেশ সচেতনতা, দায়িত্বশীল প্রভাব তৈরি, এবং গ্লোবাল প্ল্যাটফর্মে ইতিবাচক বার্তা পৌঁছে দেওয়া, বিশেষ করে Miss Eco International–এর মতো উদ্যোগের মাধ্যমে।
আন্তর্জাতিক মিস ইকো-এর মুকুট অর্জনের পর আপনার পরিকল্পনা কী?
আন্তর্জাতিক Miss Eco International –এর মুকুট অর্জনের পর আমি আমার দায়িত্বকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে পালন করবো। আমার লক্ষ্য থাকবে পরিবেশ রক্ষা, নদী ও জলাধার দূষণ প্রতিরোধ, বনাঞ্চল সংরক্ষণ এবং বিশ্বব্যাপী পরিবেশ সচেতনতা বৃদ্ধি করা। আমি চাই মানুষ শুধু পরিবেশের গুরুত্ব বুঝুক না, বরং তাদের দৈনন্দিন জীবনে টেকসই জীবনযাপন, পরিবেশবান্ধব অভ্যাস এবং দায়িত্বশীল পরিবর্তন গ্রহণ করুক। আমার কাছে এই মুকুট শুধু একটি প্রতীক নয়—এটি একটি দায়িত্ব, একটি প্রতিশ্রুতি, এবং একটি গ্লোবাল পরিবেশ আন্দোলনের যাত্রা।

মিস ইকো বাংলাদেশ-এর মুকুট অর্জনে আপনার অনুভূতি কী?
মুকুটটি পাওয়ার পর আমি অত্যন্ত গর্বিত এবং সম্মানিত অনুভব করছি। সবচেয়ে বড় অনুভূতি হলো- আমাকে এই গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব নেয়ার যোগ্য মনে করা হয়েছে। এটি শুধু একটি ক্রাউন নয়; এটি আমার প্রতি আস্থা, আমার দেশের পরিবেশের প্রতি আমার দায়বদ্ধতা এবং এক বৃহত্তর মিশনের অংশ হিসেবে আমার ক্ষমতাকে স্বীকৃতি।
মিস ইকো বাংলাদেশ-এর মুকুট অর্জনের পেছনে আপনার কী অবদান ছিল?
আমার মুকুট অর্জনের পেছনে সবচেয়ে বড় অবদান হলো পরিবেশ সচেতনতা ও বাস্তব অভিজ্ঞতা। শিল্পী হিসেবে দেশের বিভিন্ন জায়গায় ভ্রমণ করার সময় আমি নদী, খাল, জলাধার, বনাঞ্চল এবং পরিবেশের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে পরিচিত হয়েছি। আমি দেখেছি কোথায় দূষণ আছে, কোথায় সচেতনতার অভাব, এবং কীভাবে ছোট ছোট পদক্ষেপে বড় পরিবর্তন আনা যায়। সামাজিক ও পরিবেশগত কর্মকাণ্ডে নিয়মিত অংশগ্রহণ, সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য মানুষের সঙ্গে কাজ করা, টেকসই পণ্য ও উদ্যোগ নিয়ে শিক্ষামূলক প্রচারণা- এই সমস্ত কার্যক্রম আমার প্রভাব ও নেতৃত্বকে দৃঢ় করেছে। আমার সততা, কমিটমেন্ট, ধারাবাহিকতা এবং দেশের পরিবেশকে ভালোবাসা- সবই মিলিয়ে আমাকে আন্তর্জাতিকভাবে প্রমাণ করেছে যে আমি বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করার যোগ্য।

সৌন্দর্য প্রতিযোগিতা নিয়ে বাংলাদেশের নারীদের প্রতি আপনার পরামর্শ বা উপদেশ কী?
আমি মনে করি সৌন্দর্য প্রতিযোগিতা শুধু বাহ্যিক রূপের জন্য নয়; এটি আপনার ভয়েস, জ্ঞান, উদ্দেশ্য ও সামাজিক প্রভাব তুলে ধরার একটি শক্তিশালী প্ল্যাটফর্ম। প্রতিযোগিতায় অংশ নিলে আত্মবিশ্বাসী থাকুন, নিজের ব্যক্তিত্বকে স্পষ্টভাবে উপস্থাপন করুন এবং সত্যিকারের থাকুন। শুধু ক্রাউন জেতার লক্ষ্য নয়, বরং মানবতা, পরিবেশ রক্ষা ও সমাজের কল্যাণে অবদান রাখাই হওয়া উচিত মূল উদ্দেশ্য। একজন নারীর আত্মবিশ্বাস ও নেতৃত্ব পুরো দেশের জন্য অনুপ্রেরণা হতে পারে।
সৌন্দর্য প্রতিযোগিতার মাধ্যমে বাংলাদেশের নারীরা কী কী অর্জন করতে পারে?
আমি বিশ্বাস করি সৌন্দর্য প্রতিযোগিতা শুধু বাহ্যিক সৌন্দর্যের বিষয় নয়; এটি নারীদের জন্য আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধি, নেতৃত্বগুণ, এবং সামাজিক প্রভাব তৈরির একটি শক্তিশালী প্ল্যাটফর্ম। এর মাধ্যমে আমরা অর্জন করতে পারি ভয়েস ও গ্লোবাল পরিচিতি, কমিউনিকেশন দক্ষতা, মিডিয়া হ্যান্ডলিং, এবং সামাজিক দায়বদ্ধতা নিয়ে কাজ করার অভিজ্ঞতা। আমার কাছে এটি শুধু ক্রাউন জেতার প্রতিযোগিতা নয়; বরং নারীর ক্ষমতায়ন, আন্তর্জাতিক প্ল্যাটফর্মে দেশের প্রতিনিধিত্ব, এবং ইতিবাচক পরিবর্তন আনার একটি সুযোগ।
আপনার মতে কি বাংলাদেশের প্রত্যেক নারীর সৌন্দর্য প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করা উচিত?
না, আমি মনে করি না যে প্রত্যেক নারীর সৌন্দর্য প্রতিযোগিতা–তে অংশ নেওয়া বাধ্যতামূলক। এটি সম্পূর্ণ ব্যক্তিগত পছন্দ, যেখানে প্রয়োজন নিজস্ব লক্ষ্য, প্রস্তুতি এবং আত্মবিশ্বাস। কেউ চাইলে এই মঞ্চ ব্যবহার করে নিজের ভয়েস, সামাজিক প্রভাব ও নারীর ক্ষমতায়ন -এর বার্তা ছড়িয়ে দিতে পারে, আবার কেউ অন্য ক্ষেত্রেও সমানভাবে সাফল্য অর্জন করতে পারে।

আপনার এই অর্জনের পেছনে কার বা কাদের অনুপ্রেরণা ও সহযোগিতা রয়েছে?
অবশ্যই, আমার প্রতিটি অর্জনের পিছনে অনুপ্রেরণা ও সহায়তা রেখেছেন অনেক মানুষ। বিশেষ করে আমার শুভাকাঙ্ক্ষীরা যাঁরা আমার প্রতি বিশ্বাস রেখেছেন, আমাকে উৎসাহ দিয়েছেন এবং কঠিন সময়ে পাশে থেকেছেন। আমি তাদের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করি- ধন্যবাদ, আমার well-wishers, আপনারা ছাড়া আমি আজ এখানে পৌঁছাতে পারতাম না।
আপনার সুন্দর্য প্রতিযোগিতা প্রস্তুতি ও প্রচারণা কিভাবে পরিচালনা করছেন?
আমি এই প্রস্তুতি এবং প্রচারণা পরিচালনা করছি একটি দৃঢ় এবং সুন্দর দলের সহায়তায়, যারা প্রতিটি ধাপে আমাকে গাইড করছে। তারা স্টেজ, মিডিয়া, সোশ্যাল অ্যাডভোকেসি এবং পরিকল্পনা থেকে শুরু করে প্রতিটি বিস্তারিত কাজ নিশ্চিত করছে, যাতে আমি আমার লক্ষ্য ও দায়িত্বের প্রতি পুরোপুরি মনোযোগ দিতে পারি।






